news-details
রাজ্য

টুলু মন্ডলের তদন্তে নেমে এবার পুলিশের হাতে ডায়েরি - আসবে আরো নাম

টুলু মন্ডলের তদন্তে নেমে এবার পুলিশের হাতে ডায়েরি - আসবে আরো নাম

টুলু কাণ্ডে আরো নাম সামনে আসতে চলেছে বলেই জানা যাচ্ছে। বীরভূমের পাথর সম্রাট টুলু মন্ডলকে আরো পাঁকে জড়িয়ে ফেলছে পুলিশ। এবার উদ্ধার হওয়া ডায়েরি পুলিশের অস্ত্র হতে চলেছে। সোমবার তাঁর ম্যানেজার সীতেশ প্রামাণিককে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। তাঁর কাছ থেকেই ওই ডায়েরি উদ্ধার হয়েছে। ডায়েরি সম্পর্কে পুলিশ ‘স্পিকটি নট’ হলেও সোমবার আদালতে সওয়াল-জবাবের সময় এ বিষয়ে বিশদে তথ্য পেশ করেছেন সরকারি আইনজীবী। সেখান থেকে জানা যাচ্ছে, ওই ডায়েরিতে হিসেবনিকেশ রাখতেন ম্যানেজার সীতেশই। তাতে উল্লেখ, টুলুর ব্যবসার বখরা পেতেন প্রশাসনিক আধিকারিকরাও! ডায়েরির এসব সূত্র তদন্তে মোড় ঘোরাতে পারে বলে অনুমান পুলিশের। টুলু মণ্ডলের মহম্মদবাজার থানার অন্তর্গত পাঁচামির একটি পাথর ক্রাশারে হিসাবরক্ষকের কাজ করতেন মুর্শিদাবাদের সালারের বাসিন্দা সীতেশ প্রামাণিক। গত ৩১ জুলাই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ সময় সীতেশের কাছ থেকেই টুলুর বেআইনি ব্যবসার অন্যতম আঁতুড়ঘরের সন্ধান পায় পুলিশ।

এরপর সোমবার তাঁকে গ্রেপ্তারের পর আরও গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য হাতে এসেছে। জেলা পুলিশ সুপার বিদিত রাজ ভুন্দেশ জানান, মহম্মদবাজারে টুলু মণ্ডলের একটি পার্কিং গ্রাউন্ডের ভিতরে লুকিয়ে রাখা ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘অফিস-কাম-গোডাউন’। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ উদ্ধার করে একটি বিশেষ ছাপার যন্ত্র, যা দিয়ে নকল ডিসিআর (ডুপ্লিকেট চালান রিসিপ্ট) ছাপানো হত বলে পুলিশ জানতে হবে। শুধু ছাপাখানার সন্ধানই নয়, সীতেশকে জেরা করে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ডায়েরির হদিশ পেয়েছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, সেই ডায়েরির প্রতিটি পাতায় বিভিন্ন সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে টুলু মণ্ডলের কথিত বেআইনি আর্থিক লেনদেনের বিস্তারিত হিসাব লেখা রয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, হাতে লেখা ওই ডায়েরিতে সীতেশ নিজেই সমস্ত হিসাব লিখে রাখতেন। এই মামলায় আদালতে জমা দেওয়া কেস ডায়েরির সঙ্গে ওই ডায়েরির একাধিক পাতার জেরক্স কপিও সংযুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

You can share this post!