এবার কি সংকট ঘনিয়ে আসছে অভিষেকের। অনেকেই বলেছিলেন, সুমিকে ধরতে পারলেই অভিষেকের অনেক দুর্নীতি প্রকাশ্যে আসবে। শনিবার সকালে সি আই ডি দপ্তরে সুমিত আত্মসমর্পন করেন। শুক্রবার সুমিতের বাড়িতে গিয়ে নতুন করে নোটিস দিয়ে এসেছে সিআইডি। এরপর শনিবার সকাল ১০ টা বাজার ৫ মিনিট আগেই সিআইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছেন তিনি। হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট, অন্তরালে থেকেও আদালতের দরজায় দরজায় ঘুরেছেন সুমিত রায়। হাইকোর্টে একটি মামলায় আগাম জামিন পেলেও, গ্রেফতারির আশঙ্কায় সুপ্রিম কোর্টে যান তিনি।
পুলিশ সূত্রে খবর, সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া প্রায় সমস্ত দুর্নীতির সঙ্গেই তিনি যুক্ত। শুধুমাত্র ডায়মন্ড হারবারেই চারটি মামলা রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। মাটি চুরি, সেবাশ্রয় সংক্রান্ত মামলা রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। তবে সবার আগে যে অভিযোগে সুমিতের নাম উঠে আসে, তা হল জমি দুর্নীতি। পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনিতে জমি দুর্নীতিতে নাম জড়ায় সুমিতের। এরপরই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে যায় পুলিশ। ডেবরায় চাকরি প্রতারণার মামলাও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার পর সুমিতের গ্রেফতারিতে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়। শীর্ষ আদালত নির্দেশ দেয়, সুমিতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজিরা দিতে হবে। তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে। সঙ্গে একজন আইনজীবীকে নিয়ে যেতে পারবেন তিনি। সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সুমিতকে তদন্তের জন্য ডাকা যাবে, তবে গ্রেফতার করা যাবে না।