news-details
দেশ

ডিসেম্বরেই হাসিনা ফিরবেন বাংলাদেশে

ডিসেম্বরেই হাসিনা ফিরবেন বাংলাদেশে


ঠিক ২ বছর পরে ভারত থেকে ভার্চুয়াল বার্তা পাঠালেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী, মুজিব কন্যা শেখ হাসিনা। তিনি এবার স্পষ্ট করে বললেন, ডিসেম্বরে তিনি স্বভূমিতে ফিরছেন। প্রবল ছাত্র বিক্ষোভের জেরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশ থেকে চলে যেতে হয় মুজিবকন্যাকে। বুধবার, ৫ আগস্ট তথাকথিত ছাত্র বিপ্লবের বর্ষপূর্তিতে জনসমক্ষে প্রথমবার সরাসরি বক্তব্য রাখছেন তিনি। বক্তৃতার শুরুতেই দৃপ্তকণ্ঠে হাসিনা বলেন, “আমি মুজিব কন্যা বলছি…। ওরা আমাকে জেলে ভরতে পারে। মিথ্যে মামলায় ফাঁসাতে পারে। আমি বাংলাদেশে ফিরবই, সে দেশের মানুষের জন্য ফিরব। দেশকে আবার সঠিক পথে আনার জন্য ফিরব।” দু’বছর আগের ‘অভিশপ্ত’ দিনের কথা উল্লেখ করে হাসিনা বলেন, “সেদিন কোনও শান্তিপূর্ণ আন্দোলন হয়নি। মিথ্যে অপপ্রচার চালানো হয়েছিল। গত দু’বছর ধরে বাংলাদেশকে ভুগতে দেখেছি। সে দেশে ভয়ের পরিবেশ গ্রাস করে ফেলেছে। ১৯৭১ সালে যে ৩০ লক্ষ মানুষ বাংলাদেশের জন্য আত্মত্যাগ করেছিলেন, এটা সেই বাংলাদেশ নয়।


২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলন শান্তিপূর্ণ ছিল না। শুরুতে আমরা সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু সংগঠিত কিছু গোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের দাবিকে হিংসাত্মক আন্দোলনের রূপ দেয়। আমরা কোটা ব্যবস্থা বাতিল করি ও আলোচনার উদ্যোগ নিই, ৩ জন মন্ত্রী আলোচনাতেও বসেন। কিন্তু তারা আমার পদত্যাগের দাবি তোলেন, মিথ্যা অপপ্রচার চালান।” গণহত্যা সহ একাধিক অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন হাসিনা। তাঁর মাথায় ঝুলছে ফাঁসির সাজা। হাসিনা জানিয়েছেন, আত্মসমর্পণেও রাজি তিনি। শুধু নিজের দেশে ফিরে যেতে চান। যদিও বর্তমান সরকার তাঁকে সেই সুযোগ দিতে নারাজ। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আদালতের চিফ প্রোসিকিউটর তথা প্রধান সরকারি আইনজীবী জানিয়ে দিয়েছেন, দেশে পা রাখা মাত্রই হাসিনাকে সোজা জেলে পাঠানো হবে। তাঁকে আর কোনও সুযোগ দেওয়া হবে না। এদিন দিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অফ সাউথ এশিয়ার আয়োজিত অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে তিনি জানান, “বাংলাদেশে স্বতঃস্ফূর্ত ছাত্র আন্দোলন ছিল না। বরং ক্ষমতা দখলের উদ্দেশে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে পরিকল্পনা হয়েছিল। ১৫ই জুলাইয়ের পর থেকেই এই আন্দোলনের চরিত্র বদলে যায়। দেশের সম্পত্তি পুড়ে খাক হয়েছিল সেদিন।”

You can share this post!