news-details
কলকাতা

২১-এর শহীদ দিবস ঘিরে বিভ্রান্তিতে শহীদ পরিবারগুলি

অন্তত ৩ টে শহীদ দিবস এবার কলকাতায় পালন হচ্ছে। স্বাভাবিক কারণেই সব পক্ষের টানাটানিতে বিভ্রান্ত সমস্ত শহীদ পরিবার গুলো।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন একুশের শহিদের পরিবারের সদস‌্যদের মধ্যে তাঁকে যাঁরা এতদিন সমর্থন করেছেন, তাঁর সঙ্গে থেকেছেন, তাঁদের ‘ভয় দেখিয়ে’ নিজেদের দিকে টানতে চাইছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। অভিযোগ থাকলেও স্বেচ্ছায় ‘মমতার মঞ্চ’ ত‌্যাগের বার্তা দিয়েছেন একাধিক শহিদের পরিবার। তবে প্রকাশ্যে এ নিয়ে এখনই মুখ খুলতে নারাজ অনেকেই। তবে শুধু মমতার মঞ্চ ত‌্যাগই নয়, জনা চারেক পরিবার ‘তৃণমূলের মঞ্চ’ই ত‌্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শহিদদের পরিবারগুলোকে নিয়ে এই টানাপোড়েনের মধ্যেই তাঁদের নিজেদের মঞ্চে আনার কাজে নেমে পড়েছে প্রদেশ কংগ্রেসও। একুশের সমাবেশ এবার বড় করে শহিদ মিনারে করছে তারা। পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন ১৩ জন। তাঁদের শহিদের মর্যাদা দিয়ে তার পর থেকেই মমতা ২১ জুলাইয়ের সমাবেশ করে আসছেন। ছোট করে হলেও তা পালন করেছে কংগ্রেসও। কিন্তু এবার তারা শহিদ মিনারে বড় করে সমাবেশ করছে। তাতে এআইসিসি নেতৃত্ব-সহ অধীর চৌধুরি, দীপা দাশমুন্সিদের এক মঞ্চে রেখে কর্মসূচি হচ্ছে। ২৮ বছর পর প্রদেশ দপ্তর বিধান ভবনের বাইরে এই কর্মসূচি হচ্ছে। প্রদেশ সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের সঙ্গে প্রদেশ নেতা অমিতাভ চক্রবর্তী এই কর্মসূচি সফল করার জন‌্য উঠেপড়ে লেগেছেন। এসবের মধ্যে ঋতব্রত শিবির এবার মেয়ো রোডে তাদের কর্মসূচিতে চমক দেওয়ার কথা জানিয়েছে। তাদের দাবি, শহিদদের পরিবারগুলোকে সামনে রেখেই হবে এই কর্মসূচি। অন‌্যদিকে, আদালতের রায় নিয়ে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে কর্মসূচি করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এই পর্বেই টানাপোড়েন শুরু হয়েছে শহিদদের পরিবারগুলোকে নিয়ে। তৃণমূল সাংসদ দোলা সেন এই পরিবারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, কয়েকজনের সঙ্গে দেখা করে আমন্ত্রণও জানিয়ে এসেছেন।তার পরও একাধিক পরিবার একইসঙ্গে ক্ষোভ-আশঙ্কার দোলাচলতার কথা বলছেন। একটি শহিদ পরিবারের সদস্যের বক্তব‌্য, ”এই সময়টা এলেই তৃণমূলের আমাদের কথা মনে পড়ে। আমরা এবার ভেবে দেখছি।” তবে ঋতব্রত শিবিরের তরফেও তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে খবর।

You can share this post!