রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'জনগণমন' জাতীয় সংগীতের সম মর্যাদায় আনা হলো বঙ্কিমচন্দ্রের'বন্দেমাতরম' জাতীয় স্তোত্রকে। বাঙালি হিসাবে আমরা গর্বিত। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিতজাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’র মতোই বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’-কে অপমান করলে পেতে হবে কঠিন শাস্তি। হতে পারে কারাদণ্ডও। বুধবার সংসদে এইসংক্রান্ত বিল (জাতীয় সম্মান অবমাননা প্রতিরোধ (সংশোধন) বিল, ২০২৬) পাশ করল নরেন্দ্রমোদি সরকার। এদিন অধিবেশন শুরু হতেই ‘নিট’ প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে আন্দোলনকারীদের ওপরপুলিশি বলপ্রয়োগ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জবাব চেয়ে স্লোগান দিতে থাকেনবিরোধীরা। উচ্চকক্ষে হট্টগোলের মধ্যেই বিলটি পাশের জন্য উত্থাপন করা হয়। পরে বিলনিয়ে আলোচনার সময় বিরোধীরা কক্ষত্যাগ করেন।
এরপর ধ্বনি ভোটে পাশ হয়ে যায় জাতীয় সম্মান অবমাননা প্রতিরোধ (সংশোধন) বিল, ২০২৬। এই বিলটির মাধ্যমে ১৯৭১ সালের জাতীয় সম্মান অবমাননা প্রতিরোধ আইনেসংশোধনী আনল কেন্দ্র। মূল আইনে দেশের জাতীয় পতাকা, সংবিধান, জাতীয় সঙ্গীতেরঅবমাননা বা অসম্মানকে ফৌজদারি অপরাধের আওতায় রাখা হয়েছে। এর জন্য তিন বছরপর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। উল্লেখ্য, জাতীয় গানকে এত দিন এই আইনের অন্তর্ভুক্ত করাহয়নি। এবার সেটাই করা হল। বলা বাহুল্য, এর ফলে জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম্’-কে জাতীয়সঙ্গীত ‘জনগণমন’-র সমান আইনি মর্যাদা দেওয়া হল।