news-details
খেলা

প্রথম ডার্বিতে হার স্বীকার করতে হলো ইস্টবেঙ্গলকে - মহনবাগানের মুখে হাসি

প্রথম ডার্বিতে হার স্বীকার করতে হলো ইস্টবেঙ্গলকে - মহনবাগানের মুখে হাসি

বিশ্বকাপ ফুটবল সবে শেষ হয়েছে। এবার শুরু হয়ে গেলে ভারতীয় ফুটবলের অন্যতম গেম ডার্বি। প্রথম খেলায় দুই চির প্রতিপক্ষ ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগান। ডুরান্ড কাপে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে মোহনবাগান জিতল ১-০ গোলে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকেই মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন সাহাল আবদুল সামাদ। শেষদিকে একাধিক সুযোগ তৈরি করেও কাজের কাজ করতে পারেননি লাল-হলুদ বাহিনী। শেষের দিকে বিশাল কাইথ দুর্ভেদ্য হয়ে ওঠায় ইস্টবেঙ্গলের যাবতীয় লড়াই ব্যর্থ হল। যুবভারতীতে ডার্বিতে দু’দলই বিদেশিহীন প্রথম একাদশ সাজিয়ে ছিল। দুই নতুন কোচ মোহনবাগানের প্যানাজিওটিস দিলম্পেরিস ও ইস্টবেঙ্গলের আন্তোনিও হাবাসের কাছে প্রস্তুতির খুব বেশি সময় ছিল না। ম্যাচে সেটা বোঝাও যাচ্ছিল। দুই দলের খেলাতেই সেটার ছাপ স্পষ্ট। ফিটনেস ও তালমিলের অভাব বেশ ভালোমতোই বোঝা যাচ্ছিল। বল পজেশন বা গোলমুখী আক্রমণে মোহনবাগান এগিয়ে ছিল। তবে খুব বিপজ্জনক পরিস্থিতি কোনও দলই তৈরি করতে পারেনি।

গোল করার লোকের অভাব দু’দলেই। তবু প্রথমার্ধে বিতর্কের কমতি ছিল না। ২৪ মিনিটে ইস্টবেঙ্গল বক্সের মধ্যে ঢুকে পড়েছিলেন মোহনবাগানের সাহাল আবদুল সামাদ। তাঁর জোরাল শট লাল-হলুদের জিকসন সিংয়ের হাতে লাগে। সাহাল আবেদন জানালেও রেফারি কর্ণপাত করেননি। খেলার গতি ফিরল দ্বিতীয়ার্ধে। তার ফল পেল মোহনবাগান। সাহাল বারবার বিপজ্জনক হয়ে উঠছিলেন। ম্যাচের বয়স তখন ৫২ মিনিট। ইস্টবেঙ্গল রক্ষণ বল বিপন্মুক্ত করতে ঝুঁকি নিয়েছিল। সেই সুযোগে বক্সের মধ্যে ঢুকে কিয়ান নাসিরি। ডানদিক থেকে তাঁর বল কভার করেন মনবীর সিং। সেখান থেকে যখন সেকেন্ড বারে বল আসে, তখন সাহালের সামনে ফাঁকা গোল। সেই সুযোগ নিতে বিন্দুমাত্র ভুল করেননি সাহাল। ফাঁকা জালে বল জড়িয়ে দেন তিনি।

You can share this post!