নির্লজ্জ তৃণমূল সদ্য প্রাক্তন জেলা সভাপতি সুব্রত দত্ত ওরফে গোপে দত্ত। গুরুতর অভিযোগ পরেও হাসছে তৃণমূল নেতা । পাত্রসায়ের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূরবী দত্ত মল্লিকের পর এবার গ্রেফতার হলেন তাঁর স্বামী তথা তৃনমূলের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার সদ্য প্রাক্তন জেলা সভাপতি সুব্রত দত্ত ওরফে গোপে দত্ত। এক নাবালিকার রহস্য মৃত্যুর ঘটনায় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অভিযোগ করতে বাধা দেওয়া ও তথ্য প্রমাণ লোপাটে সাহায্য করার অভিযোগে গতকাল রাতে তাঁকে গ্রেফতার করে পাত্রসায়ের থানার পুলিশ। আজ ধৃতকে বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়। পাত্রসায়ের থানা থেকে ধৃতকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা চোর চোর স্লোগান দেয়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে চলতি বছর ৩০ মার্চ বাঁকুড়ার পাত্রসায়ের থানা এলাকায় এক নাবালিকার রহস্য মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। অভিযোগ এই ঘটনায় পাত্রসায়ের থানা এলাকার এক যুবক ও তার মা এর বিরুদ্ধে যোগসাজসের অভিযোগ ছিল মৃতার পরিবারের। কিন্তু অভিযুক্তরা তৃনমূল ঘনিষ্ঠ হওয়ায় সে সময় তৃনমূলের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুব্রত দত্ত ওরফে গোপে দত্ত এবং তাঁর স্ত্রী তথা পাত্রসায়ের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূরবী দত্ত মল্লিক রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মৃতার পরিবারকে অভিযোগ দায়েরে বাধা দেন। ময়না তদন্ত না করিয়ে মৃতার দেহ সৎকার করতেও বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ। রাজ্যে পালাবদলের পর মৃতার পরিবার ১১ জুলাই পাত্রসায়ের থানায় ঘটনার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এরপরই এই ঘটনায় তথ্য প্রমাণ লোপাট ও মৃতার পরিবারকে অভিযোগ দায়েরে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ১২ জুলাই পাত্রসায়ের পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূরবী দত্ত মল্লিককে গ্রেফতার করে পাত্রসায়ের থানার পুলিশ। পূরবী দত্ত মল্লিকের স্বামী তথা তৃনমূলের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার সদ্য প্রাক্তন জেলা সভাপতি সুব্রত দত্তর খোঁজেও শুরু হয় তল্লাশি। গতকাল রাতে বিশেষ সূত্রে খবর পেয়ে পাত্রসায়ের থানা এলাকা থেকে সুব্রত দত্ত ওরফে গোপে দত্তকে গ্রেফতার করে পাত্রসায়ের থানার পুলিশ। আজ ধৃতকে বিষ্ণুপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়।