পূর্ব ভারতে সয়া চাঙ্কস নিয়ে এল গণেশ কনজিউমার প্রোডাক্টস, প্রতিদিনের খাবারে সাশ্রয়ী মূল্যে উচ্চ-প্রোটিন পুষ্টি
~ সয়া চাঙ্ক ও মিনি সয়া চাঙ্ক—দুই ধরনের পণ্য, প্যাকেটের দাম ১০ টাকা থেকে এবং প্রতি ১০০ গ্রামে সর্বোচ্চ ৫৩.১ গ্রাম প্রোটিন
কলকাতা, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: গণেশ কনজিউমার প্রোডাক্টস লিমিটেড, পূর্ব ভারতে সুপ্রতিষ্ঠিত অবস্থান থাকা একটি শীর্ষস্থানীয় খাদ্যপণ্য সংস্থা, তাদের গণেশ সয়া চাঙ্কস এবং মিনি সয়া চাঙ্কস বাজারে আনার ঘোষণা করেছে। এর মাধ্যমে সংস্থাটি উদ্ভিদ-ভিত্তিক প্রোটিনের ক্রমবর্ধমান ক্ষেত্রে তাদের পণ্যের পরিসর আরও সম্প্রসারিত করল।
পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড জুড়ে পাওয়া যাবে এই নতুন পণ্যসম্ভার। এর লক্ষ্য হল উচ্চ-প্রোটিনযুক্ত নিরামিষ পুষ্টিকে আরও বেশি মানুষের কাছে সহজে পৌঁছে দেওয়া এবং প্রতিদিনের খাবারে সহজে যুক্ত করার সুযোগ তৈরি করা। পণ্যগুলির দাম শুরু হচ্ছে মাত্র ১০ টাকা থেকে।
‘খাঁটি নিরামিষ, খাঁটি প্রোটিন’-এর প্রতিশ্রুতিকে ভিত্তি করে গণেশ সয়া চাঙ্কসে প্রতি ১০০ গ্রামে রয়েছে ৫৩.১ গ্রাম প্রোটিন এবং ১৫.৪ ডায়েটারি ফাইবার, যা প্রতিদিনের খাবারে সহজে প্রোটিন যোগ করার একটি সুবিধাজনক উপায়। বহুমুখী ব্যবহারযোগ্য এবং সহজে প্রস্তুত করা যায় বলে সয়া চাঙ্কস ভারতীয় বিভিন্ন ধরনের রান্না ও বিভিন্ন সময়ের খাবারে সহজেই ব্যবহার করা যায়। তরকারি ও পোলাও থেকে শুরু করে বিরিয়ানি, ভাজা পদ এবং জলখাবার, সব ধরনের খাবারেই এটি যোগ করা সম্ভব।
“প্রোটিন ক্রমশই প্রতিদিনের পুষ্টির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে এবং ক্রেতারা এমন বিকল্প খুঁজছেন, যা পুষ্টিকর, সুবিধাজনক এবং সহজে পাওয়া যায়। গণেশ সয়া চাঙ্কসের মাধ্যমে আমাদের লক্ষ্য হল প্রতিদিনের খাবারে উদ্ভিদজাত প্রোটিন সহজে যোগ করার সুযোগ তৈরি করা এবং একইসঙ্গে ক্রেতারা গণেশ ব্র্যান্ডের সঙ্গে যে গুণমান ও মূল্যের প্রত্যাশা করেন, তা নিশ্চিত করা,” পণ্যটি বাজারে আনার প্রসঙ্গে বলেন গণেশ কনজিউমার প্রোডাক্টস লিমিটেডের পরিচালক দেবাংশ মিমানি। “আমরা এই ক্ষেত্রে আমাদের উপস্থিতি বাড়ানোর সঙ্গে পণ্য সরবরাহের পরিধি এবং মানুষের মধ্যে পণ্য সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর দিকে আমরা ধারাবাহিকভাবে গুরুত্ব দেব। পাশাপাশি, ক্রেতাদের পরিবর্তনশীল চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রাসঙ্গিক নতুন উদ্যোগ ও উদ্ভাবনী পণ্য নিয়ে কাজ করব। সয়া-প্রোটিনের ক্ষেত্রে গণেশকে একটি বিশ্বস্ত নাম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাই আমাদের লক্ষ্য। একইসঙ্গে আরও বিস্তৃত, আধুনিক ও প্রাসঙ্গিক খাদ্যপণ্যের সম্ভার গড়ে তোলার কাজও আমরা চালিয়ে যাব।”
নতুন এই পণ্যসম্ভারটি গুণমান, সুবিধা এবং সাশ্রয়ী মূল্যের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে। এতে ক্রেতাদের জন্য সয়া চাঙ্ক এবং মিনি সয়া চাঙ্ক—এই দুটি ধরনের পণ্য বেছে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। পণ্যের গুণমান ও খাদ্যনিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গণেশ সয়া চাঙ্কসের ক্ষেত্রে কাঁচামাল সংগ্রহ, উৎপাদন এবং প্যাকেটজাতকরণের প্রতিটি পর্যায়ে ভারতের খাদ্য সুরক্ষা ও মান নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত মান মেনে চলা, আন্তর্জাতিক মান সংস্থার স্বীকৃত ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি এবং নিয়মিত গুণমান পরীক্ষা নিশ্চিত করা হয়।
পণ্যগুলি সাধারণ দোকান, আধুনিক বিপণনব্যবস্থা, ই-কমার্স এবং কুইক কমার্স মাধ্যমে পাওয়া যাবে। এর জন্য সংস্থাটি এই অঞ্চলে ইতিমধ্যে গড়ে তোলা নিজস্ব ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ককে কাজে লাগাবে। পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ডে প্রাথমিকভাবে বাজারে আনার পর আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বিহার, অসম এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যান্য রাজ্যেও পণ্যগুলির সরবরাহ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে সংস্থার।
এই বাজারে আনার মাধ্যমে গণেশ কনজিউমার প্রোডাক্টস সয়া প্রোটিনের ক্ষেত্রে প্রবেশ করল। দৈনন্দিন ব্যবহারের খাদ্যপণ্যে নিজেদের উপস্থিতির ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে সংস্থাটি ভারতীয় ক্রেতাদের পরিবর্তনশীল পুষ্টিগত চাহিদা পূরণে নিজেদের খাদ্যপণ্যের সম্ভার আরও বিস্তৃত করছে।