সিকিমে নির্মীয়মান সুড়ঙ্গ ধসের ঘটনায় পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। সোমবার দুপুরের এই দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২০ জনে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন উদ্ধারকারী দলগুলি।নামচির পুলিশ সুপার সোনম ডি ভুটিয়া জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার সময় সুড়ঙ্গের ভেতরে মোট ২৫ জন শ্রমিক ও প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কর্মী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ২০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।
উদ্ধার হওয়া দেহ:
এখনও পর্যন্ত ১২টি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার কারণ ও বিষাক্ত গ্যাসের প্রভাব
ন্যাশনাল হাইড্রোইলেকট্রিক পাওয়ার কর্পোরেশন (NHPC)-এর প্রাথমিক অনুমান, পাথরের স্তরে জমে থাকা মিথেন গ্যাসের আকস্মিক বিস্ফোরণের ফলেই এই ভয়াবহ ধস নামে। বিস্ফোরণের তীব্রতার পাশাপাশি সুড়ঙ্গের ভেতরে ঘন ধোঁয়া ও বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ায় ব্যাহত হচ্ছে উদ্ধারকার্য। পরিস্থিতি মোকাবিলায় পশ্চিমবঙ্গ থেকে একটি বিশেষ খনি উদ্ধারকারী দলও ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযানে হাত লাগিয়েছে।