ব্রহ্মপুত্র-সহ একাধিক নদীর জল বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে, ফলে রাজ্যের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। বহু গ্রাম, রাস্তা এবং কৃষিজমি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যের একাধিক জেলায় ৩ লক্ষেরও বেশি মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। বন্যাকবলিত এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণকাজ চালাচ্ছে ভারতীয় সেনাবাহিনী, এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফ। নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে আটকে পড়া মানুষদের। বন্যার জেরে বহু সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। বেশ কয়েকটি রেলপথেও পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে। পাশাপাশি, আপার অসমের একাধিক চা-বাগান জলের তলায় চলে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এদিকে, ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর আগামী কয়েকদিন আরও বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদী সংলগ্ন ও নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার এবং প্রয়োজনে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। বন্যাদুর্গতদের জন্য বিভিন্ন জেলায় ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। সেখানে খাদ্য, বিশুদ্ধ পানীয় জল ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। উদ্ধার ও ত্রাণকাজ এখনও জোরকদমে চলছে।