টানা হামলার পর আপাতত যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর বিমান হামলা স্থগিত রেখেছে এবং কূটনৈতিক আলোচনার পথ খোলা রাখার চেষ্টা করছে। তবে উভয় পক্ষই জানিয়েছে, আলোচনা ব্যর্থ হলে পুনরায় সংঘর্ষ শুরু হতে পারে। অন্যদিকে, ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের লোহিত সাগরে সৌদি আরবের তেল অবকাঠামো ও জাহাজে হামলার জেরে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম, পরিবহন ব্যয় এবং মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা আরও বেড়েছে। এদিকে ইউরোপের একাধিক দেশে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। তীব্র তাপপ্রবাহ, দীর্ঘস্থায়ী খরা এবং প্রবল বাতাসের কারণে আগুন দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। হাজার হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং বহু বনাঞ্চল ও বসতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক সংকট, তেলের ঊর্ধ্বমুখী দাম এবং ইউরোপের পরিবেশগত বিপর্যয়—এই তিনটি ঘটনাই বিশ্ব অর্থনীতি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং জলবায়ু পরিস্থিতির ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।